কয়েকদিন আগে মেহজাবিন এর একটা স্ট্যাটাস নিয়ে আমাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল, কেন ? সে বাংলিশে লিখেছিল বলে ? কয়েকটা অক্ষর বেশী ব্যাবহার করেছিল বলে ? নাকি শুধু ছবি দেখে , স্ট্যাটাস পড়ে আমাদের যৌনতৃষ্ণা মিটছিল না বলে ? নাকি আমাদের নোংরা পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় একটা মেয়েকে বড় কিছু হয়ে যাওয়া দেখতে ভালো লাগছিলো না বলে , সবার সামনে তাঁকে ছোট করে মানসিক তৃপ্তি পেতে ইচ্ছে করছিল ? ইচ্ছে করছিল তাঁকে মানসিক ভাবে বন্দী করে রাখতে , যেভাবে
সাধারণত কোন মেয়েকে বন্দী করে রাখতে আমরা অভ্যস্ত ?
এই কথাগুলা কেন আমি আজকে আবার বলছি ? কারণ দুপরে তামিম ইকবাল এর বিয়ে সংক্রান্ত একটা খবর পড়তে গিয়ে কয়েকটা লাইন পড়ে অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করছিলাম মানুষের মতামত জানার জন্য, আশা করেছিলাম কেউ কিছু বলবে কিন্তু ৬/৭ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও কেউ কিছু বলল না এই বিষয়।
কি ছিল সেই লাইনগুলো ?
“আগ্রাবাদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারের মেয়ে আয়েশা কুয়ালালামপুরের সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক। দেশে ফিরে ব্র্যাক ব্যাংকে ইন্টার্নি করার পর আপাতত স্বেচ্ছা-বেকার জীবন যাপন করছেন। ‘স্বেচ্ছা’য় বলাটা ভুল হলো, আসলে তামিমের ইচ্ছাতেই বিয়ের পর অন্তত এক বছর চাকরি করবেন না মিসেস তামিম, ‘আমি বলেছিলাম দুই বছর। ও তর্কাতর্কি করে এটাকে এক বছর করল। আমি মেনে নিয়েছি। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। করুক চাকরি...।’ “
মনে হয় কেউ কিছু বলে নাই কারণ এইটা খুব ব্যক্তিগত / পারিবারিক কথাবার্তা , এইসব নিয়ে কিছু বলা অভদ্রতা। কিংবা আমরা সবাই আসলে মনের ভিতর একই ধরণের ধ্যানধারণা পুষে রাখি, কেউ সরাসরি প্রকাশ করি, কেউ প্রকাশ করি না আর কেউ কেউ প্রকাশ করতে চাই না কিন্তু মেহজাবিন এর মতো কাউকে অকারণে অপমান করার সময়, কোন সাংবাদিক এর সাংবাদিকতার সমালোচনার সময় সে মেয়ে ইঙ্গিত করে আক্রমণ করার সময় বের প্রকাশ হয়ে যায়।
আসলেই আমরা সবাই মনের ভিতর একটা নোংরা মানসিকতা নিয়ে চলি , তাই আমাদেরই একজন নায়ক জনসম্মুখে “এত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। করুক চাকরি...।“ ধরণের কথা বলতে লজ্জা পায় না আমার মতো আবর্জনাও কোন মেয়েকে না জেনে অকারণে গালি দিতেও পিছপা হয়না। কিন্তু একজনও কি ছিল না যে বলবে ,
“ তামিম ইকবাল, তুমি যখন বুকে দেশের পতাকা নিয়ে মাঠে নামো আমি গর্বিত হই , মাঠে তোমার সাফল্য আমার বুক ভরে যায় আনন্দে, দেশকে জিতিয়ে যখন তুমি মাঠ থেকে বের হও তখন আমার এই দুই চোখে আনন্দাশ্রু টলমল করে কিন্তু আজকে যখন তোমার কথায় তোমার মানসিকতার পরিচয় পেলাম তখন তোমাকে একটা কথাই বলার আছে , তুমি অনেক ক্ষুদ্র , অনেক অনেক ক্ষুদ্র মানসিকতার অধিকারী। “
*কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলা অবশ্যই অভদ্রতা এবং আমি এখন সেটা করেছি , তামিম ইকবাল, আয়েশা সিদ্দিকা ও মেহজাবিন এর কাছে ক্ষমা প্রার্থী
**আমি নিজেও একই ধরণের মানসিকতার অধিকারী , এখনও বের হতে পারি নাই।
সাধারণত কোন মেয়েকে বন্দী করে রাখতে আমরা অভ্যস্ত ?
এই কথাগুলা কেন আমি আজকে আবার বলছি ? কারণ দুপরে তামিম ইকবাল এর বিয়ে সংক্রান্ত একটা খবর পড়তে গিয়ে কয়েকটা লাইন পড়ে অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করছিলাম মানুষের মতামত জানার জন্য, আশা করেছিলাম কেউ কিছু বলবে কিন্তু ৬/৭ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও কেউ কিছু বলল না এই বিষয়।
কি ছিল সেই লাইনগুলো ?
“আগ্রাবাদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারের মেয়ে আয়েশা কুয়ালালামপুরের সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক। দেশে ফিরে ব্র্যাক ব্যাংকে ইন্টার্নি করার পর আপাতত স্বেচ্ছা-বেকার জীবন যাপন করছেন। ‘স্বেচ্ছা’য় বলাটা ভুল হলো, আসলে তামিমের ইচ্ছাতেই বিয়ের পর অন্তত এক বছর চাকরি করবেন না মিসেস তামিম, ‘আমি বলেছিলাম দুই বছর। ও তর্কাতর্কি করে এটাকে এক বছর করল। আমি মেনে নিয়েছি। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। করুক চাকরি...।’ “
মনে হয় কেউ কিছু বলে নাই কারণ এইটা খুব ব্যক্তিগত / পারিবারিক কথাবার্তা , এইসব নিয়ে কিছু বলা অভদ্রতা। কিংবা আমরা সবাই আসলে মনের ভিতর একই ধরণের ধ্যানধারণা পুষে রাখি, কেউ সরাসরি প্রকাশ করি, কেউ প্রকাশ করি না আর কেউ কেউ প্রকাশ করতে চাই না কিন্তু মেহজাবিন এর মতো কাউকে অকারণে অপমান করার সময়, কোন সাংবাদিক এর সাংবাদিকতার সমালোচনার সময় সে মেয়ে ইঙ্গিত করে আক্রমণ করার সময় বের প্রকাশ হয়ে যায়।
আসলেই আমরা সবাই মনের ভিতর একটা নোংরা মানসিকতা নিয়ে চলি , তাই আমাদেরই একজন নায়ক জনসম্মুখে “এত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। করুক চাকরি...।“ ধরণের কথা বলতে লজ্জা পায় না আমার মতো আবর্জনাও কোন মেয়েকে না জেনে অকারণে গালি দিতেও পিছপা হয়না। কিন্তু একজনও কি ছিল না যে বলবে ,
“ তামিম ইকবাল, তুমি যখন বুকে দেশের পতাকা নিয়ে মাঠে নামো আমি গর্বিত হই , মাঠে তোমার সাফল্য আমার বুক ভরে যায় আনন্দে, দেশকে জিতিয়ে যখন তুমি মাঠ থেকে বের হও তখন আমার এই দুই চোখে আনন্দাশ্রু টলমল করে কিন্তু আজকে যখন তোমার কথায় তোমার মানসিকতার পরিচয় পেলাম তখন তোমাকে একটা কথাই বলার আছে , তুমি অনেক ক্ষুদ্র , অনেক অনেক ক্ষুদ্র মানসিকতার অধিকারী। “
*কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলা অবশ্যই অভদ্রতা এবং আমি এখন সেটা করেছি , তামিম ইকবাল, আয়েশা সিদ্দিকা ও মেহজাবিন এর কাছে ক্ষমা প্রার্থী
**আমি নিজেও একই ধরণের মানসিকতার অধিকারী , এখনও বের হতে পারি নাই।
No comments :
Post a Comment